Saltar al contenido
TikMonkey

Esta captura no indica contenido reproducible para el vídeo 7695102484494159125; los metadatos públicos de abajo siguen indexados.

দূর থেকে সূর্যকে মনে হয় বিশাল একটা আগুনের গোলা। সেখানে যেন দিনরাত দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে… — @myajal2

Publicado el 10 oct 2026 (hace más de dos semanas)0 s10,237 visualizaciones

Estadísticas del vídeo

Cifras públicas de la última actualización.

Visualizaciones
10,237
Me gusta
180
Comentarios
4
Compartidos
3
Guardados
19
Interacción
1.83%
Duración
0 s
Publicado
10 oct 2026

Análisis del vídeo

El vídeo de TikTok de @myajal2 “দূর থেকে সূর্যকে মনে হয় বিশাল একটা আগুনের গোলা। সেখানে যেন দিনরাত দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সেই আগুনের আলো ও উত্তাপেই আলোকিত হচ্ছে পৃথিবী এবং এ গ্রহে টিকে আছে তাবৎ প্রাণিকুল। তবে আমাদের ভাবনায় আসলে ভুল আছে। আপাতত ধরে নিই এই ভাবনাটাই সঠিক। তাহলে সূর্যকে নিভিয়ে ফেলতে চাইলে কী করতে হবে? আগুন নেভানোর কথা এলেই মাথায় প্রথমেই পানির কথা আসবেই। তাহলে সূর্য নেভাতে কী পরিমাণ পানি লাগবে? সূর্যকে কি পানি দিয়ে সত্যিই নিভিয়ে ফেলা সম্ভব? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আগে বুঝতে হবে, সূর্য জ্বলে কীভাবে? আগেই বলেছি, সূর্য নিয়ে আমাদের প্রথম ধারণাটা আসলে ভুল। এই বস্তুটি আমাদের পরিচিত আগুনের গোলার মতো নয়। সেখানে পৃথিবীর আগুনের মতো জ্বলেও না। পৃথিবীতে দহন বা আগুন জ্বলার জন্য অক্সিজেন দরকার। দহনের জন্য তিনটি জিনিস জরুরি—জ্বালানি, বাতাস বা অক্সিজেন এবং তাপ। এই তিনের সমন্বয়ে পৃথিবীতে আগুন জ্বলে। কাঠ বা তেল নিজেই জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। যথেষ্ট তাপ ও অক্সিজেন পেলে এতে আগুন ধরে যায়। কিন্তু সূর্যের ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা।সূর্যের শক্তির উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন বা পরমাণু সংযোজন। আর সেখানে জ্বালানি হিসেবে কাজ করছে হাইড্রোজেন গ্যাস। প্রচণ্ড ভরের কারণে সূর্যের হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো পরস্পরের সঙ্গে চিড়েচ্যাপ্টা হয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে হাইড্রোজেন পরমাণু একসঙ্গে মিশে তৈরি হচ্ছে হিলিয়াম পরমাণু। এই প্রক্রিয়াটা ঘটে সূর্যের কেন্দ্রে। সেখানে চাপ অনেক বেশি—পৃথিবীর প্রায় তিন লাখ তেত্রিশ হাজার গুণ বেশি। আর তাপমাত্রা প্রায় দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অকল্পনীয় পরিস্থিতিতে হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো একসঙ্গে জুড়ে তৈরি করে হিলিয়াম। একেই বলে ফিউশন বিক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াতে সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত বেরিয়ে আসছে বিপুল পরিমাণ শক্তি।এবার ধরুন, আমরা যদি কোনোভাবে সূর্যের সমান পরিমাণ পানি জোগাড় করতে পারি! অসম্ভব শোনাচ্ছে, তাই না? কিন্তু কল্পনায় ধরে নিন, কোনোভাবে আমরা এতটা পানি যোগার করে ফেলতে পারলাম। কিন্তু মহাকাশে এই পানি হয়ে যাবে শক্ত বরফের মতো। কারণ সেখানে তাপমাত্রা অনেক কম। এই বিশাল বরফের গোলাটা যদি আমরা সূর্যের দিকে ঠেলে দিই, তাহলে কী হবে? সূর্য কি নিভে যাবে? প্রথম সমস্যা হলো, এই বরফ সূর্যের কাছে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাষ্প হয়ে যাবে। সূর্যের বায়ুমণ্ডল এত গরম যে বরফ টিকতেই পারবে না। আবারও ধরে নিচ্ছি, আমরা কোনোভাবে সেই বাষ্পকে সূর্যের কেন্দ্রে পাঠাতে পারলাম। তাহলে কি সূর্য নিভে যাবে? এবারও উত্তর হলো, না। সূর্যের পরিবেশ এতই চরম যে পানির বাষ্পও সেখানে টিকতে পারবে না। প্রচণ্ড তাপে পানি ভেঙে যাবে তার মৌলিক উপাদানে। অর্থাৎ হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন। এতক্ষণে জেনে গেছেন, সূর্যের জ্বালানি হলো হাইড্রোজেন? তার মানে, পানি ঢেলে আমরা সূর্যকে নেভানোর বদলে উল্টো তাকে আরও বেশি জ্বালানি দিয়ে দিলাম! হাইড্রোজেন পেয়ে সূর্য আরও তীব্রভাবে জ্বলবে। সেটা অনেকটা আগুন নেভাতে গিয়ে তেল ঢেলে দেওয়ার মতো ব্যাপার।By using this site, you agree to our Privacy Policy. OK মহাকাশ সূর্যকে কি পানি দিয়ে নিভিয়ে ফেলা সম্ভব আবুল বাসার Contributor image আবুল বাসার নির্বাহী সম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৫: ০০ সূর্যকে কি পানি দিয়ে নিভিয়ে ফেলা সম্ভব দূর থেকে সূর্যকে মনে হয় বিশাল একটা আগুনের গোলা। সেখানে যেন দিনরাত দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সেই আগুনের আলো ও উত্তাপেই আলোকিত হচ্ছে পৃথিবী এবং এ গ্রহে টিকে আছে তাবৎ প্রাণিকুল। তবে আমাদের ভাবনায় আসলে ভুল আছে। আপাতত ধরে নিই এই ভাবনাটাই সঠিক। তাহলে সূর্যকে নিভিয়ে ফেলতে চাইলে কী করতে হবে? আগুন নেভানোর কথা এলেই মাথায় প্রথমেই পানির কথা আসবেই। তাহলে সূর্য নেভাতে কী পরিমাণ পানি লাগবে? সূর্যকে কি পানি দিয়ে সত্যিই নিভিয়ে ফেলা সম্ভব? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আগে বুঝতে হবে, সূর্য জ্বলে কীভাবে? আগেই বলেছি, সূর্য নিয়ে আমাদের প্রথম ধারণাটা আসলে ভুল। এই বস্তুটি আমাদের পরিচিত আগুনের গোলার মতো নয়। সেখানে পৃথিবীর আগুনের মতো জ্বলেও না। পৃথিবীতে দহন বা আগুন জ্বলার জন্য অক্সিজেন দরকার। দহনের জন্য তিনটি জিনিস জরুরি—জ্বালানি, বাতাস বা অক্সিজেন এবং তাপ। এই তিনের সমন্বয়ে পৃথিবীতে আগুন জ্বলে। কাঠ বা তেল নিজেই জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। যথেষ্ট তাপ ও অক্সিজেন পেলে এতে আগুন ধরে যায়। কিন্তু সূর্যের ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা। আরও পড়ুন সূর্য কি পৃথিবীর মতো নিজ অক্ষরেখার চারপাশে ঘোরে ০৮ মার্চ ২০২৫ সূর্য কি পৃথিবীর মতো নিজ অক্ষরেখার চারপাশে ঘোরে বিজ্ঞানীদের হিসেবে, সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন টন (বা ৬,০০,০০,০০,০০০ কিলোগ্রাম) হাইড্রোজেনকে নিউক্লীয় ফিউশন প্রক্রিয়ায় হিলিয়ামে রূপান্তরিত করে। সূর্যের শক্তির উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন বা পরমাণু সংযোজন।” tiene 10,237 visualizaciones, 180 me gusta, 4 comentarios y 3 compartidos en las métricas públicas registradas por este índice. Eso equivale a una tasa de interacción de 1.83% (me gusta, comentarios y compartidos sobre visualizaciones). Se publicó hace más de dos semanas y dura 0 segundos. Se ha guardado 19 veces.

Datos al 15 oct 2026 (UTC), de la última actualización pública registrada por este índice.

মায়াজাল 2.0

@myajal2

🔍আপনি যদি রহস্য রোমাঞ্চকর ইন্টারেস্টিং ভিডিও দেখতে চান তাহলে এখনি*🅜🅐🅨🅐🅙🅐🅛*টিকটক আইডিটি ❖ অনুগ্রহ করে ফলো করুন ❖ ধন্যবাদ ❖

Ver perfil
Seguidores
85,552
Siguiendo
132
Me gusta
1,201,817
Vídeos
1,095

Vídeos recientes

MÁS DE @MYAJAL2

Preguntas frecuentes

¿Cuántas visualizaciones tiene este vídeo de TikTok?
La captura indexada aquí registra 10,237 visualizaciones, 180 me gusta y 4 comentarios.
¿Quién publicó este vídeo de TikTok?
Lo publicó @myajal2, cuyo perfil está enlazado en esta página.
¿Cuál es la tasa de interacción de este vídeo de TikTok?
Según las métricas registradas, la tasa de interacción es de 1.83% (me gusta + comentarios + compartidos sobre visualizaciones).
¿Cuándo se publicó este vídeo de TikTok?
Se publicó el 2026-10-10, hace más de dos semanas.